"৪০০শিক্ষার্থী ও ১জন শিক্ষক নিয়েই চলছে কামালবস্তি সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়"।

"৪০০শিক্ষার্থী ও ১জন শিক্ষক নিয়েই চলছে কামালবস্তি সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়"।

আলী হোসেন:- 
মাত্র একজন শিক্ষক দিয়েই চলছে পুরো স্কুলের পাঠদান। এটি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের কামালবস্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র। শিক্ষকের ৫টি পদ থাকলেও ৪০০ শিক্ষার্থীর এ স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটছে। 
সরেজমিন দেখা গেছে, ক্লাসের সময় শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ বারান্দায় খেলছে আবার কিছু শিক্ষার্থী শ্রেণী কক্ষে পড়ছে। বারান্দায় খেলতে থাকা চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী রেহানা আক্তার বলে, স্কুলে একজন শিক্ষক থাকায় অন্য ক্লাসে স্যার থাকলে আমরা বাইরে কিছু সময় খেলি, আবার আমাদের ক্লাসে স্যার এলে আমরা ক্লাসে যাই। 
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কামালবস্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৬৩ সালে। ৪০০ জন শিক্ষার্থীর এ স্কুৃলে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান। যে একজন শিক্ষক রয়েছেন তিনি আবার সহকারী শিক্ষক। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবেই তিনিই পুরো স্কুল সামলাচ্ছেন।   
কামালবস্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদন্য চন্দ্র বিশ্বাস
একাত্তরের কথাকে  বলেন, আমার একার পক্ষে বিদ্যালয় পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একদিকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হয়, অন্যদিকে উপজেলায় বিভিন্ন সভা মিটিংয়েও যেতে হয়।
কামালবস্তি গ্রামের বাসিন্দা আখলু মিয়া বলেন, শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘিœত হচ্ছে। তিনি বলেন, শূন্যপদে শিক্ষক পদায়ন করা জরুরি।
উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন বলেন, কামালবস্তি এলাকার ক্যাচম্যান্ট এরিয়ায় প্রায় ৩ হাজার পরিবারের বসবাস। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় এলাকার শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল হক একাত্তরের কথাকে বলেন, বিদ্যালয়টিতে শূন্য পদে শিক্ষক পদায়নের জন্য বারবার চাহিদা দেওয়া হচ্ছে। এ বছর সামনের নিয়োগে দু’জন শিক্ষক দেওয়ার চেষ্টা করব। একজন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠদান করা কষ্টকর।
সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) বায়েজিদ খাঁন একাত্তরের কথাকে বলেন, কোম্পানীগঞ্জের কামালবস্তি স্কুলের বিষয়টি নজরে আছে। এ স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে।


Post a Comment

0 Comments